অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) স্থানান্তর করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৮টায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলবে।
এর আগে সকাল সাড়ে সাতটায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মন্ত্রীকে বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে যান রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি ভূমিমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার সার্বিক তথ্য তুলে ধরেন।
অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন জানান, ভূমিমন্ত্রী সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন। সেখানে দেওয়া ওষুধ ব্যবহারের প্রক্রিয়ায় কোনো জটিলতার কারণে তার রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। ফলে গত কয়েকদিন ধরেই তাকে বাইরে থেকে একাধিক ব্যাগ রক্ত দিতে হচ্ছিল। তিনি আরও জানান, দুই দিন আগে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী সফরে এলে অসুস্থতা সত্ত্বেও মন্ত্রীকে সেখানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হয়, যার কারণে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম হয়।
রাজশাহীর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখার পর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাদের পরামর্শেই মন্ত্রীকে তড়িঘড়ি ঢাকার পিজি হাসপাতালে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় সংসদ সদস্য মিলন রাজশাহীবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে ভূমিমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।
ভূমিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) নাজমুল হক ডিকেন স্থানান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উন্নত ও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসার স্বার্থেই মন্ত্রী মহোদয়কে ঢাকায় আনা হয়েছে এবং পিজি হাসপাতালেই তার পরবর্তী চিকিৎসা চলবে। বৃহস্পতিবার সকালে বিমানবন্দরে মন্ত্রীকে বিদায় জানাতে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল আবেদীনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মন্ত্রীকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রক্তশূন্যতা ধরা পড়ায় তাকে কয়েক ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছিল। কেবিনে থাকা অবস্থায় তিনি নিজের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। তার অসুস্থতার খবর পেয়ে বুধবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাকে দেখতে হাসপাতালে ভিড় জমান।#
এর আগে সকাল সাড়ে সাতটায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মন্ত্রীকে বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে যান রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি ভূমিমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার সার্বিক তথ্য তুলে ধরেন।
অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন জানান, ভূমিমন্ত্রী সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন। সেখানে দেওয়া ওষুধ ব্যবহারের প্রক্রিয়ায় কোনো জটিলতার কারণে তার রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। ফলে গত কয়েকদিন ধরেই তাকে বাইরে থেকে একাধিক ব্যাগ রক্ত দিতে হচ্ছিল। তিনি আরও জানান, দুই দিন আগে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী সফরে এলে অসুস্থতা সত্ত্বেও মন্ত্রীকে সেখানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হয়, যার কারণে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম হয়।
রাজশাহীর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখার পর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাদের পরামর্শেই মন্ত্রীকে তড়িঘড়ি ঢাকার পিজি হাসপাতালে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় সংসদ সদস্য মিলন রাজশাহীবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে ভূমিমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।
ভূমিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) নাজমুল হক ডিকেন স্থানান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উন্নত ও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসার স্বার্থেই মন্ত্রী মহোদয়কে ঢাকায় আনা হয়েছে এবং পিজি হাসপাতালেই তার পরবর্তী চিকিৎসা চলবে। বৃহস্পতিবার সকালে বিমানবন্দরে মন্ত্রীকে বিদায় জানাতে পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল আবেদীনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মন্ত্রীকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রক্তশূন্যতা ধরা পড়ায় তাকে কয়েক ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছিল। কেবিনে থাকা অবস্থায় তিনি নিজের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। তার অসুস্থতার খবর পেয়ে বুধবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাকে দেখতে হাসপাতালে ভিড় জমান।#
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :